৪ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ: পাবনায় পিআইও ও পরিবারের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আবুল কালাম আজাদ ও তাঁর স্ত্রী-সন্তানের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তিনটি মামলা দায়ের করেছে। মঙ্গলবার বিকেলে দুদক সমন্বিত পাবনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর বাদী হয়ে এসব মামলা করেন। তাঁদের বিরুদ্ধে ৪ কোটি ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ আনা হয়েছে।



কে আছেন মামলার তালিকায়?

এই মামলায় প্রধান আসামি আবুল কালাম আজাদ, যিনি বর্তমানে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে পিআইও হিসেবে কর্মরত। অপর দুই মামলায় তাঁর স্ত্রী মর্জিনা খাতুন (৪৭) ও ছেলে ফজলে রাব্বী (২১)-কে বিবাদী করা হয়েছে। তাঁদের বাড়ি পাবনা জেলার শালগাড়িয়া মহল্লায়।

দুদকের অনুসন্ধানে কী উঠে এসেছে?

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে যে, বিভিন্ন স্থানে চাকরির সুযোগ কাজে লাগিয়ে আবুল কালাম আজাদ অসৎ উপায়ে বিপুল পরিমাণ সম্পদ অর্জন করেছেন। তিনি এই অর্থ স্ত্রী, সন্তান ও আত্মীয়স্বজনের নামে গচ্ছিত রেখেছেন। দীর্ঘ তদন্ত শেষে দুদক নিশ্চিত হয়েছে যে, তাঁর স্ত্রী ও সন্তানের নিজস্ব কোনো বৈধ আয়ের উৎস নেই, অথচ তাঁদের নামে কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে।

দুদকের কর্মকর্তারা জানান, তাঁদের তিনজনের নামে থাকা ৪ কোটি ৪ লাখ ৬৫ হাজার টাকার সম্পদের কোনো বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেননি তাঁরা। আইনের চোখে এটি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে বিবেচিত হয়েছে।

দুদকের বক্তব্য

দুদক পাবনা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাধন চন্দ্র সূত্রধর বলেন, “মামলাগুলো আজ নথিভুক্ত হয়েছে। পরবর্তী তদন্ত শেষে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে, তারপর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এই মামলা থেকে কী বার্তা মিলছে?

সরকারি কর্মকর্তাদের দুর্নীতি রোধে দুদকের সক্রিয় ভূমিকা আরও একবার স্পষ্ট হলো। এই মামলাগুলো প্রমাণ করে, অবৈধ সম্পদ অর্জনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে রয়েছে সংস্থাটি।

📌 আপনার মতামত দিন: দুর্নীতির বিরুদ্ধে আরও কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত?

#দুর্নীতি #দুদক #অবৈধসম্পদ #বাংলাদেশ #আইনশৃঙ্খলা

মন্তব্যসমূহ