থাইল্যান্ডের শিক্ষার্থীদের জন্য মুক্ত চুলের স্বাধীনতা !

থাইল্যান্ডের শিক্ষার্থীরা এখন নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী চুলের ধরন বেছে নিতে পারবে। দীর্ঘদিনের আইনি লড়াই শেষে দেশটির সুপ্রিম অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কোর্ট শিক্ষার্থীদের পক্ষে রায় দিয়েছেন।



বুধবার আদালত জানায়, ১৯৭৫ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারি করা নির্দেশিকা সংবিধানে সুরক্ষিত ব্যক্তিস্বাধীনতার পরিপন্থী। তাছাড়া, বর্তমান যুগের সঙ্গে এর কোনো সামঞ্জস্য নেই।

১৯৭৫ সালের সেই নির্দেশিকায় বলা হয়েছিল, ছেলে শিক্ষার্থীদের চুল ছোট রাখতে হবে, আর মেয়েদের চুল হতে পারবে কানের সমান লম্বা। যদিও অনেক স্কুল ইতোমধ্যেই এই নিয়ম শিথিল করেছিল, কিছু প্রতিষ্ঠান কঠোরভাবে এটি মেনে চলছিল। নিয়ম লঙ্ঘন করলেই শিক্ষার্থীদের চুল জোরপূর্বক কেটে দেওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।

২০২০ সালে ২৩টি স্কুলের শিক্ষার্থীরা এই নিয়মের বিরুদ্ধে আদালতে পিটিশন দায়ের করে। অবশেষে, আদালতের রায় শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত স্বাধীনতার স্বীকৃতি দিলো, যা তাদের ইচ্ছামতো চুল রাখার অধিকার নিশ্চিত করবে।

ট্যাগ: #থাইল্যান্ড #শিক্ষা #শিক্ষার্থীদেরঅধিকার #আইন



মন্তব্যসমূহ