চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ইউনিয়ন উড়িরচরের স্বাস্থ্যসেবার দুর্দশা দিন দিন বাড়ছে। ২০০২ সালে যে পরিবার কল্যাণকেন্দ্রটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, সেটি শুরু থেকেই জনবল সংকটের কারণে কার্যকর হয়নি। ২০০৩ সালে, এই পরিবার কল্যাণকেন্দ্রটি অস্থায়ীভাবে উড়িরচর পুলিশ ফাঁড়ি হিসেবে ব্যবহৃত হতে থাকে। বর্তমানে এই কেন্দ্রে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী কোনো ডাক্তার বা চিকিৎসক নেই, যার ফলে ৪০ হাজার মানুষের স্বাস্থ্য সমস্যা এখন আরও বেশি জটিল হয়ে উঠেছে।
উড়িরচরের বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, সাগর পাড়ি দিয়ে হাসপাতালে যেতে গিয়ে অনেকেই প্রাণ হারিয়েছেন। স্থানান্তরের সময় কোনো চিকিৎসক না থাকায়, শিশুসন্তান ও প্রসূতির মৃত্যু ঘটছে প্রায়ই। স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্মকর্তা জানিয়েছেন, মেডিকেল অফিসার নিয়োগ করা হলেও, পদটি শূন্য থেকে গেছে, এবং স্থানীয়রা মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন।
২০১৯ সালে উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার যোগদান করলেও ২০২৩ সালের পর তিনি আর কর্মস্থলে ফিরে আসেননি। এতে পরিবার কল্যাণকেন্দ্রের কাজগুলো থেমে গেছে, এবং রোগীরা জরুরি চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম বা নোয়াখালী যাওয়ার জন্য বাধ্য হচ্ছেন। এসব জনগণের মৌলিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান উঠেছে।
ট্যাগ: #উড়িরচর #স্বাস্থ্য_সেবা #চিকিৎসক_সংকট #সন্দ্বীপ #বিচ্ছিন্ন_দ্বীপ #পুলিশ_ফাঁড়ি #মৃত্যু #মৌলিক_অধিকার #স্বাস্থ্য_সংকট
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন