সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তাবেষ্টনী ও সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণের চার বছর পরেও ক্ষতিপূরণের টাকা পাননি ভুক্তভোগী জমির মালিকেরা। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে ১৫১ একর জমি অধিগ্রহণের নোটিশ দেওয়া হলেও, এখনো তারা তাদের পাওনা টাকা বুঝে পাননি। জমির অধিগ্রহণের ফলে তারা নতুনভাবে জমি বিক্রি করতে কিংবা ঘর মেরামত করতে পারছেন না, ফলে জীবনযাত্রায় ব্যাপক বিঘ্ন ঘটছে।
রাজীব হোসেন নামে এক জমির মালিক জানান, তাঁর ১১ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে, কিন্তু দীর্ঘ চার বছর পরেও ক্ষতিপূরণ না পাওয়ায় তাঁর জীবনে সমস্যার অন্ত নেই। ঘর মেরামত করতে পারছেন না এবং বর্ষাকালে জলাবদ্ধতায় সমস্যা বাড়ছে। একাধিকবার সিলেট জেলা প্রশাসন এবং বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে যাওয়া সত্ত্বেও কোনো সমাধান হয়নি।
এদিকে, অধিগ্রহণের প্রক্রিয়ায় ব্যাপক বিলম্বের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত জমির মালিকেরা নতুন স্থানে বসবাস শুরু করতে বা জীবিকা নির্বাহে বাধাগ্রস্ত হচ্ছেন। প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, জমির অধিগ্রহণের জন্য প্রায় এক মাসের মধ্যে সমাধান আসবে এবং ৭ এপ্রিল চূড়ান্ত শুনানি হবে। আশা করা যাচ্ছে, তারপর ক্ষতিপূরণের বিষয়টি সমাধান হবে।
সিলেট জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শের মাহবুব মুরাদ জানিয়েছেন, জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে যে সব পরিবর্তন আনা হয়েছে, তার ফলে প্রক্রিয়া কিছুটা দীর্ঘ হয়ে গেছে। তবে আগামী এপ্রিল মাসের মধ্যে সব কিছু চূড়ান্ত হবে এবং ক্ষতিপূরণ দ্রুত দেওয়া যাবে।
ট্যাগ:
#সিলেট #ওসমানী_বিমানবন্দর #ক্ষতিপূরণ #জমি_অধিগ্রহণ #বিলম্ব #জেলা_প্রশাসন #ভুক্তভোগী #প্রকল্প #পূর্বাভাস

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন