নিখোঁজের দুই মাস পর খুলনার হোটেল থেকে উদ্ধার নবাবগঞ্জ বিএনপি সভাপতি

দুই মাসেরও বেশি সময় নিখোঁজ থাকার পর ঢাকার নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজাদুল ইসলামকে খুলনার একটি আবাসিক হোটেল থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে তাঁকে উদ্ধারের পর দুপুরে পরিবার ও স্থানীয় বিএনপি নেতাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।




নিখোঁজের ঘটনা ও উদ্ধার প্রক্রিয়া

গত ৮ জানুয়ারি নবাবগঞ্জের দেওতলা থেকে রাজশাহীতে চিকিৎসার জন্য রওনা দেন আজাদুল ইসলাম। রাজশাহীতে পৌঁছানোর পর পরিবারের সঙ্গে শেষবার যোগাযোগ করেন তিনি। এরপর থেকে তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। তাঁর খোঁজ না পেয়ে ১০ জানুয়ারি নবাবগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন তাঁর ছেলে সিহাব তমাল।

পুলিশের তদন্ত ও অবস্থান চিহ্নিত

পুলিশের প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের মাধ্যমে জানা যায়, তিনি খুলনার সোনাডাঙ্গা থানার মজিদ সরণি এলাকার একটি আবাসিক হোটেলে অবস্থান করছিলেন। সেখানে অভিযান চালিয়ে আজ ভোরে তাঁকে উদ্ধার করা হয়। নবাবগঞ্জ থানার ওসি (তদন্ত) আজগর হোসেন জানান, উদ্ধারকৃত আজাদুল ইসলাম শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলেও মানসিক চাপে আছেন। ফলে আপাতত তাঁকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা সম্ভব হয়নি।

পরিবারের প্রতিক্রিয়া

আজাদুল ইসলামের ছেলে সিহাব তমাল জানান, তাঁর বাবা অসুস্থ এবং কথা বলতে পারছেন না। স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলে নিখোঁজ থাকার আসল কারণ জানা যাবে।

রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোড়ন

আজাদুল ইসলামের উদ্ধারের খবরে নবাবগঞ্জ থানায় স্বজন ও বিএনপি নেতা-কর্মীদের ভিড় জমে। তবে তিনি এখনো কারও সঙ্গে কথা বলেননি।

দোহার সার্কেলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার আশরাফুল আলম জানান, বেশ কিছুদিন ধরে পুলিশি দল তাঁকে উদ্ধারের জন্য কাজ করছিল। শেষ পর্যন্ত খুলনার হোটেল থেকে তাঁকে পাওয়া যায়।

🔹 আপনার মতামত কী? আজাদুল ইসলামের নিখোঁজ থাকার পেছনে ব্যক্তিগত নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে? মন্তব্য করুন! ⬇️

#নিখোঁজ_উদ্ধার #রাজনীতি #ঢাকা_নবাবগঞ্জ



মন্তব্যসমূহ