সন্দ্বীপে ছাত্রদল নেতার পোস্টের পর যুবলীগ নেতা ফজলে এলাহীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগ

চট্টগ্রামের সন্দ্বীপে যুবলীগের সাবেক নেতা ফজলে এলাহীর বাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনা ঘটে যখন গতকাল রাতে ছাত্রদলের নেতা আবু সায়ীদ খান ফেসবুকে তার ওপর হামলার বিষয়ে একটি পোস্ট দেন। পোস্টের কিছু সময় পরই ফজলে এলাহীর বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়।




ফজলে এলাহী সন্দ্বীপ পৌরসভা যুবলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ছিলেন এবং কিছু বছর ধরে তিনি ওই এলাকায় বাস করতেন না। অন্যদিকে, আবু সায়ীদ খান বর্তমানে সন্দ্বীপ পৌরসভা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক।

হামলা এবং আগুন দেওয়ার ঘটনা

আবু সায়ীদ খান জানান, গতকাল রাত আটটার দিকে সন্দ্বীপ পৌরসভার শাহজাহান মিয়ারগো তেমাথায় অবস্থিত তার ফার্মেসিতে হামলা চালায় ফজলে এলাহী। সেখানে তিনি মারধরের শিকার হন এবং এক পর্যায়ে গুলি ছোড়া হয়। পরে রাত নয়টার দিকে প্রশাসনের সহায়তা চেয়ে তিনি ফেসবুকে পোস্ট দেন।

পোস্ট দেওয়ার পর ঘণ্টাখানেকের মধ্যে ফজলে এলাহীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। আবু সায়ীদ খানের দাবি, এটি আওয়ামী লীগের সহায়তায় ফজলে এলাহী নিজেই তার বাড়িতে আগুন দিয়েছেন, যাতে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করা যায়।

অগ্নিসংযোগের ঘটনা এবং প্রতিবেশীদের বিবৃতি

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রাত ১০টার দিকে প্রায় ৭০-৮০ জন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কর্মী-সমর্থক ফজলে এলাহীর বাড়ির দুটি ঘরে আগুন দেয়। এতে একটি পুরোনো টিনের ঘর এবং একটি নতুন দালান পুড়ে যায়। তবে ফজলে এলাহী বা তার পরিবার বাড়িতে ছিলেন না।

বিএনপির প্রতিক্রিয়া এবং পুলিশ তদন্ত

সন্দ্বীপ উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব আলমগীর হোসাইন ঠাকুর এই ঘটনার সঙ্গে দলের কোনো সম্পর্ক নেই বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, ফজলে এলাহীর কর্মকাণ্ডের কারণে স্থানীয়রা হয়তো এই হামলা ও অগ্নিসংযোগ করেছে।

সন্দ্বীপ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম সফিকুল ইসলাম জানান, ফজলে এলাহীর বাড়িতে আগুন দেওয়ার ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি এবং পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।

🔹 আপনার মতামত কী? এই ঘটনার পেছনে কে বা কারা দায়ী? মন্তব্য করুন! ⬇️

#সন্দ্বীপ #অগ্নিসংযোগ #রাজনীতি #ফজলে_এলাহী



মন্তব্যসমূহ