রাজশাহীতে এক নারী আইনজীবীকে রিমান্ডে নিয়ে ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি ও অযাচিত স্বাক্ষর গ্রহণের অভিযোগে পুলিশের এক উপপরিদর্শকসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রায় ১১ মাস পর, ২০২৪ সালের ১ এপ্রিল গ্রেপ্তার হওয়া আইনজীবী মুক্তা পারভীন এই মামলাটি দায়ের করেন।
মুক্তা পারভীন অভিযোগ করেন, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক উপপরিদর্শক মাহফুজুর রহমান এবং তাঁর সহযোগীরা রিমান্ডে নেওয়ার সময় তাঁকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন। এ সময় তারা একটি ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেয় এবং ৩০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। অভিযুক্তরা আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার বিভিন্ন সদস্য ও সাধারণ ব্যক্তির অন্তর্ভুক্ত, যাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
মামলা গ্রহণের পর, আদালত সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। মুক্তা পারভীন বলেন, "প্রথম মামলার পরেও আসামিরা ধরাছোঁয়ার বাইরে, তাঁরা আমাকে বারবার হয়রানি করার চেষ্টা করছেন। তাই আমি আবারও আদালতের আশ্রয় নিয়েছি।"
অন্যদিকে, এসআই মাহফুজুর রহমান দাবি করেছেন, মুক্তা পারভীন ও তাঁর সহযোগীরা বিভিন্ন লোককে চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা করেছেন এবং তাঁদের বিরুদ্ধে একাধিক প্রতারণা মামলা রয়েছে।
ট্যাগ:
#মামলা #চাঁদাদাবি #রিমান্ড #আইনজীবী #প্রতারণা #পুলিশ #রাজশাহী #নির্যাতন #এসআই #মুক্তাপারভীন #আইন
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন