গণ–অভ্যুত্থানের পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে দীর্ঘদিন পর ছাত্ররাজনীতির এক নতুন ধারা দেখা যাচ্ছে। ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে পারস্পরিক সহাবস্থান ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকায় ক্যাম্পাসে ইতিবাচক পরিবর্তন স্পষ্ট। এই ধারাকে ধরে রাখা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান।
শুক্রবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (ডুজা) আয়োজিত ‘গণ–অভ্যুত্থানপরবর্তী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য এসব কথা বলেন। টিএসসি ক্যাফেটেরিয়ায় অনুষ্ঠিত এই সভা ও ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক মামুন আহমেদ, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক এম জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, “গণ–অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ছাত্ররাজনীতিতে একটি নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক সহনশীলতার পরিবেশ বজায় রাখতে হবে, যাতে শিক্ষার্থীরা ভয়মুক্ত পরিবেশে মত প্রকাশ করতে পারে।”
বিশেষ অতিথি মাহবুব মোর্শেদ বলেন, “ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে এই ঐক্য ও সহাবস্থান টিকে থাকলে একটি সুন্দর, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।”
ডুজা সভাপতি মহিউদ্দিন মুজাহিদ মাহি বলেন, “গণ–অভ্যুত্থানের সময় ছাত্রসংগঠনগুলোর মধ্যে যে সংহতি দেখা গেছে, তা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে। ভবিষ্যতে সংঘাত এড়িয়ে গঠনমূলক আলোচনার মাধ্যমে সংকট নিরসনের পথ খুঁজে বের করতে হবে।”
সভায় উপস্থিত ছাত্রনেতারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানান। এতে বক্তব্য দেন বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের নেতারা, যারা গণতান্ত্রিক চর্চা অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এই আলোচনার মাধ্যমে ছাত্ররাজনীতিতে নতুন যুগের সূচনা হয়েছে বলে অনেকেই আশাবাদী।
ট্যাগ: #ঢাবি #গণঅভ্যুত্থান #ছাত্ররাজনীতি #ডাকসু #সহনশীলতা
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন