রাজশাহী জেলার চারঘাট উপজেলার মুংলি গ্রামে সেলিম হোসেন নামক এক ব্যবসায়ী দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসা করছিলেন। ইলেকট্রনিকস পণ্যের দোকান ‘সেলিম স্টোর’ ছিল তার, যার ব্যবসা ভালোই চলছিল। তবে ধারকর্জের বোঝা কিছুদিন ধরে তিনি শোধ করতে না পারায় গত ১৫ দিন আগে গভীর রাতে তিনি সপরিবারে বাড়ি ছেড়ে চলে গেছেন। তাঁর ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী, কিন্তু তার পরীক্ষার ভবিষ্যতও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
এমনই ঘটনা ঘটেছে আরও দুটি পরিবারে, যারা ঋণের ভারে নিঃস্ব হয়ে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে। শুধু মুংলি গ্রাম নয়, উপজেলার কালুহাটি, বাঘা, দিঘা, পীরগাছা এবং অন্যান্য গ্রামগুলোতেও ঋণগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা বাড়ছে। কিছু পরিবার ঋণ শোধ করতে না পারার কারণে একে একে নিজেদের বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে গেছে।
স্থানীয়রা জানান, ক্ষুদ্রঋণ সংস্থাগুলি অনেক সময় যাচাই-বাছাই ছাড়াই ঋণ দেয়, যার কারণে ঋণগ্রস্ত মানুষের সংখ্যা বেড়ে গেছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ফরিদ খান বলেন, ঋণ দেওয়ার সংস্থাগুলির কর্মীরা নির্দিষ্ট লক্ষ্য পূরণের জন্য ঋণ দেয়, ফলে গ্রাহকরা সময়মতো ঋণ পরিশোধ করতে পারছেন না।
এদিকে, কিছু ব্যবসায়ী যেমন আলমগীর হোসেন, মারজুল হোসেন, এবং আফজাল হোসেন ঋণের বোঝা সহ্য করতে না পেরে পালিয়ে গেছেন। তাদের ঋণের পরিমাণ শতাধিক হাজার টাকা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং এখনো তারা ফিরে আসেননি।
ট্যাগস:
#DebtCrisis #Rajshahi #LoanBurden #RuralLife #Bankruptcy #BusinessLoss #LoanDefault #RajshahiNews #VillageStruggles #MicroFinanceIssues
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন