কেন রানির প্রাসাদে আমন্ত্রণ পাননি ইসরায়েলিরা ? উঠে এলো অজানা তথ্য



সম্প্রতি যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড লেমি ও ইসরায়েলের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিদন সারের গোপন বৈঠক নিয়ে চলছে তীব্র আলোচনা। লন্ডনে হওয়া এই গোপন মিটিংয়ের ঘটনায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ব্রিটেনের অনেক রাজনীতিক। এই ঘটনাটি যেন আবারও মনে করিয়ে দিলো রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের সেই পুরনো অবস্থান—যেখানে ইসরায়েলের প্রতি তাঁর অনীহা ছিল স্পষ্ট।

ইসরায়েলের সাবেক প্রেসিডেন্ট রিউভেন রিভলিন এক সময় মুখ খুলেছিলেন এই বিষয়ে। এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, রানির দৃষ্টিভঙ্গিতে ইসরায়েলিরা হয় “সন্ত্রাসী” নয়তো “সন্ত্রাসীর সন্তান।” এমনকি তিনি কখনোই চাইতেন না কোনো ইসরায়েলি কর্মকর্তা বাকিংহাম প্যালেসে প্রবেশ করুক, যদি না তা কোনো আন্তর্জাতিক আয়োজনে হয়।

রানি এলিজাবেথের শাসনকালে ৭০ বছর ধরে তিনি ১২০টির বেশি দেশ সফর করলেও কখনোই ইসরায়েল পা রাখেননি। বিষয়টি নিয়ে নানা মহলে প্রশ্ন উঠেছিল। কেউ কেউ বলছেন, ১৯৪০-এর দশকে ব্রিটিশ ম্যান্ডেট চলাকালে ফিলিস্তিনে ইহুদি সশস্ত্র গোষ্ঠীর বিদ্রোহের স্মৃতি রানির মনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছিল।

২০১২ সালে হারেৎজ পত্রিকার প্রাক্তন প্রধান সম্পাদক ডেভিড লানদাও লিখেছিলেন, রানি চাইলে তাঁর ব্যক্তিগত ইচ্ছায় ইসরায়েল সফর করতে পারতেন। কিন্তু তা তিনি কখনোই করেননি।

এছাড়াও, ১৯৮৪ সালে জর্ডান সফরের সময় রানির কাছে যখন ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান পশ্চিম তীরের আকাশে চক্কর দেয়, তখন তিনি আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বলে জানা যায়।

এই সব মিলিয়ে বোঝা যায়, রানির সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক বরাবরই ছিল জটিল ও সংবেদনশীল।


🔖 ট্যাগসমূহ:

#রানী_এলিজাবেথ #ইসরায়েল #ব্রিটেন #বাকিংহাম_প্যালেস #রাজনৈতিক_সম্পর্ক #ইতিহাস #রাজপরিবার #মিডলইস্ট_পলিটিক্স


মন্তব্যসমূহ